Life's Journey with Ashik
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Life's Journey with Ashik, Health/Beauty, Kotor.
29/09/2024
এক অপ্রিয় সত্যের কাহিনী
পরিবারের ধারণাটা শুনলেই সবাই ভাবে ভালোবাসা, সাপোর্ট, আর একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধার জায়গা। কিন্তু বাস্তবে, এই "পরিবার" কথাটার পেছনে কতোটা কষ্ট, মানসিক অত্যাচার আর নিয়ন্ত্রণ লুকিয়ে থাকে, সেটা হয়তো সবাই বুঝতে পারে না। পরিবার মানেই ভালোবাসার আশ্রয়? না, সেটা এক ধরণের মিথ্যে গল্প! বাস্তবের পরিবার কেমন? অনেক সময় এটা হয় নিঃশ্বাস আটকে যাওয়ার মতো এক বন্দিশালা।
পরিবারে ভালোবাসা? সে তো এক অদৃশ্য চুক্তি—তোমাকে "ভালোবাসা" দেওয়া হবে, যদি তুমি তাদের মতো চলো। কোনো ভুল করলে বা তাদের ইচ্ছের বিরুদ্ধে কিছু করলে? ভালোবাসা হারাবে! যে ভালোবাসা কেবল শর্ত দিয়ে চলে, সেটা আর ভালোবাসা নয়—সেটা এক ধরণের মানসিক জিম্মাদারি। পরিবারের ভালোবাসা যদি শর্ত সাপেক্ষ হয়, তাহলে সেটা কি সত্যি ভালোবাসা?
পরিবারে ছোটদের কোনো সম্মান নেই। ছোটরা বড়দের মতো জীবন দেখে না, চিন্তা করতে পারে না—তাই তাদের কথা শুনতে নেই! এটা যেন একটা অলিখিত আইন। ছোটরা যতই বলুক, যতই কষ্ট করুক, তা কোনোদিনই যথেষ্ট হবে না। তাদের কথার মূল্য কখনোই থাকবে না, কারণ বড়দের চোখে তারা 'ছোট'। কিন্তু সম্মান কি শুধু বয়স দেখে দিতে হয়? যারা সম্মান দিতে জানে না, তারা কীভাবে সম্মান পেতে পারে?
পরিবারের নাম করে, "তোমার ভালো চাচ্ছি" বলে একটা অদ্ভুত ধরনের কন্ট্রোল চাপিয়ে দেওয়া হয়। যা ইচ্ছা তাই করতে হবে, না হলে তুমি "খারাপ সন্তান"। যেন নিজের চিন্তা-ভাবনা করা কোনো অপরাধ! পরিবার অনেক সময় এমনভাবে কন্ট্রোল করে, যেন তুমি তাদের কোনো সম্পত্তি। তোমার নিজের ইচ্ছা, স্বপ্ন বা আকাঙ্ক্ষার কোনো দাম নেই। মানে, তুমি মানুষ না—তাদের হাতে গড়া পুতুল!
পরিবারের "আলোচনা" মানে কী? সেটা আসলে তাদের মতামত তোমার ওপর চাপিয়ে দেওয়া। তোমার বলার অধিকার নেই। মুখ খোলা মানেই তুমি ভুল, কারণ তোমার কথা শোনার প্রয়োজন তারা মনে করে না। এটা কোনো খোলামেলা সম্পর্ক নয়—এটা এক ধরণের বাক স্বাধীনতার অবমাননা। তাদের কথার বাইরে কিছু বললেই তুমি "উদ্ধত", তুমি "অবাধ্য"।
পরিবারে কীভাবে চলবে, কী করবে, কখন করবে—সবকিছু তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। কোনো স্পেস নেই, কোনো স্বাধীনতা নেই। "তুমি পরিবারের অংশ, তোমার কোনো ব্যক্তিগত জীবন নেই"—এটাই যেন তাদের চিন্তাভাবনা। যেন ব্যক্তি জীবন বলে কিছু নেই, সবকিছু তাদের হাতে বাঁধা। নিজের জন্য কিছু করতে চাইলেই সেটা অপরাধের পর্যায়ে চলে যায়।
পরিবারের নিয়ম? তাদের কথা তোমার জীবনের আইন। কোনো ব্যতিক্রম চলবে না। ভুল করলেই শাস্তি। কারণ তারা "সবচেয়ে ভালো বোঝে"। তাদের ভুল হতে পারে না। তুমি যদি একবারও ভিন্নমত প্রকাশ করো, তাহলে তুমি "অবাধ্য", "অভদ্র", আর "অনুগ্রহের অযোগ্য"।
পরিবারের সাহায্য কি? সেটা সহানুভূতির আড়ালে একধরণের দয়া, যা তোমার সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। তারা তোমাকে সাহায্য করবে, কিন্তু তার পেছনে থাকবে শর্ত। "আমরা তোমাকে সাহায্য করছি, তুমি আমাদের নিয়ম মানবে"—এমন সাহায্য চেয়ে কী লাভ? যদি সেটা তোমাকে স্বাধীন করতে না পারে, তাহলে সেটি সহায়তা নয়, বরং এক ধরনের মানসিক চাপ।
পরিবারের ধারণা মতে, স্বাধীনতা মানে তারা যা বলবে সেটা করা। তুমি নিজের মতো চলতে চাও? সেটা স্বপ্নের মতো, কারণ তারা তোমার প্রতিটি পদক্ষেপ নিয়ন্ত্রণ করবে। তোমার স্বাধীনতার কোনো মূল্য নেই, কারণ তাদের নিয়ন্ত্রণই শেষ কথা।
19/09/2024
মব জাস্টিস, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া - এই ভয়ংকর প্রবণতা আমাদের সমাজে আজকে খুবই সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুই দিন আগেই একটা গরু চোরকে আমদের এলাকায় পিটিয়ে মারা হলো, আর ঢাবিতে এক মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষকেও একই পরিণতির শিকার হতে হলো। এইসব ঘটনার জন্য আমরা কাকে দায়ী করব? আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গা ছাড়া মনোভাব? নাকি বিচার ব্যবস্থার ধীরগতি?
আসল দায় আমাদের সুশিক্ষার অভাব । শিক্ষার উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে সভ্য, মানবিক এবং নৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করা। কিন্তু আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় কি এই মূল্যবোধ শেখানো হয়? পুঁথিগত বিদ্যা আর ডিগ্রি অর্জনই যেন একমাত্র লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানবিকতা, ন্যায়বিচার, সহানুভূতির মতো বিষয়গুলো তো বইয়ের পাতায়ই থেকে গেছে।
আর ধর্ম? ধর্মের নামে যাদের মগজ ধোলাই করা হয়েছে, তারা কি আসলেই ধর্ম বোঝে? ধর্ম শেখায় সহনশীলতা, সহমর্মিতা। অথচ, আজকাল ধর্মের নামে অন্ধভাবে সহিংসতা আর বর্বরতাকে জায়েজ করে ফেলা হচ্ছে।
আমরা কী এভাবেই বেঁচে থাকতে চাই? শিক্ষার নামে অসভ্যতা ! যদি মানুষ ন্যূনতম নৈতিকতা আর সহমর্মিতা না শিখে, তাহলে কোনো আইন, কোনো পুলিশ - কেউই আমাদের রক্ষা করতে পারবে না। কারণ সত্যিকারের সভ্যতা আসে মানুষের অন্তর থেকে, বাইরের শাসনব্যবস্থা থেকে নয়।
ধিক্কার জানাই, জন্মেছি এমন দেশে,
যেখানে মানবতা আজ নীরবে মরে, হিংস্রতার শেষে
অবশ্যই জাতীয় সঙ্গীত বর্জন করা উচিত।
শুধু জাতীয় সংগীত নয় জাতীয় কবিও পরিবর্তন করা উচিত। কাজী নজরুল ইসলাম ভারতের পশ্চিমবঙ্গে জন্মেছেন। জাতীয় পতাকা পরিবর্তন করা উচিত, এটি নকশা করেছেন শিব নারায়ন দাশ। সাত দিনের নাম, বারো মাসের নাম বর্জন করা উচিত, ওগুলো ভারতীয় জ্যোতির্বিদরা নামকরণ করেছেন বিভিন্ন গ্রহ তথা হিন্দুদের বিভিন্ন দেবতার নামে। সর্বোপরি বাংলা ভাষাটাই বর্জন করা উচিত, কারণ বাংলা ভাষা এসেছে ভারতীয়' গৌড়ীয় প্রাকৃত থেকে।
শুধু এগুলোও না,
স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণ এর জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। ভারতীয় নাগরিক। চলুন বাংলাটাই বাদ দেই।✊.
সংগৃহীত
30/08/2024
বন্ধুদের সাথে কাটানো মুহূর্তগুলোই জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ। এই মুহূর্তগুলোই জীবনের আসল সম্পদ। বন্ধুদের সাথে এভাবেই মধুর স্মৃতি তৈরি হতে থাকুক।
আমাদের দেশে একটা ছেলে যত দিনে নিজের পায়ে দাঁড়ায়,ততদিনে তার মনের পছন্দের মানুষের বাচ্চা উসাইন বোল্ট এর মতো দৌড় শিখে যায় !😅🥲
01/04/2024
জানো কি , প্রতিদিন প্রকৃতি থেকে আমরা কতটুকু অক্সিজেন গ্রহণ করি ?
হ্যাঁ তাই : ১০০০০- ২০০০০ লিটার !😯
প্রকৃতি হল আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ, আমাদের সকলের জন্য সৌন্দর্য ও অনুপ্রেরণার উৎস।
আদিকাল থেকেই প্রকৃতি মানবতাকে মুগ্ধ করেছে এবং প্রভাবিত করেছে। রাজকীয় পাহাড় থেকে সমুদ্রের মৃদু ঢেউ, রঙিন ফুলের তৃণভূমি থেকে ঘন বন-প্রকৃতির বৈচিত্র্য ও সৌন্দর্য প্রায় অপরিমেয়।
কিন্তু আমরা মাঝে মাঝে ভুলে যাই যে প্রকৃতিকে রক্ষা করা এবং সংরক্ষণ করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
প্রকৃতি শুধু সৌন্দর্যের উৎসই নয়, আমাদের সকলের জন্য একটি অত্যাবশ্যকীয় সম্পদ। এটি আমাদের শ্বাস নেওয়ার জন্য বিশুদ্ধ বাতাস, পানীয় জল এবং বেঁচে থাকার জন্য খাদ্য সরবরাহ করে। উপরন্তু, এটি আমাদের সৃজনশীল চিন্তার জন্য আমাদের রিলাক্সেশন, শান্তি এবং অনুপ্রেরণা প্রদান করে।
প্রকৃতিকে রক্ষা করা এবং যত্ন নেওয়া আমাদের দায়িত্ব যাতে ভবিষ্যত প্রজন্ম আমাদের মতো একই সৌন্দর্য এবং প্রাচুর্য অনুভব করতে পার ।
চলো সবার আগে প্রকৃতি প্রেমী হই !
01/03/2024
বেলা অবেলায় সময় কেটে যায় !
জার্মানিতে আসার এক বছর পূর্ণ হল । সত্যি এটা অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল, অনেক নতুন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হওয়া সাথে সাথে অনেক সুন্দর মুহূর্ত । শিখে চলছি প্রতিনিয়ত অনেক কিছুই ।
চাওয়া একটাই অনেক অনেক সুখী হওয়া ।
ইঁদুর দৌড় এ দৌড়ানোর মানুষ আমি না । অনেক অনেক সুখের স্মৃতি তৈরি করা এখনো বাকি । তাদের প্রতি অনেক কৃতজ্ঞ যারা আমর এই যাত্রায় সমর্থন জুগিয়েছে ।
03/01/2024
বসরের প্রথম সেল্ফি ভেনিসে! এই অসাধারণ স্থানে আসার সৌভাগ্য হলো।
30/12/2023
আজ ভেনিসে প্রথম দিন।
অসাধারণ কিছু স্মৃতির সাক্ষী হলাম ভেনিস শহরে ।💫❤️🇮🇹🍕
18/12/2023
☀️😌
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Kotor